শিক্ষা জীবনে পার্ট-টাইম চাকরির ভূমিকা

শিক্ষা জীবনে পার্ট-টাইম চাকরির ভূমিকা

NT-21K 17

জীবনটা কঠিন, এটাই বাস্তব! একটি উন্নয়নশীল দেশের নাগরিকদের জীবন আরো কঠিন হয়ে ওঠে যখন অর্থনৈতিক মন্দার পাশাপাশি মানসম্মত চাকরির সুযোগ কম থাকে। আপনি যদি পার্ট-টাইম চাকরি, কিংবা ছাত্রদের জন্য চাকরি বা আপনার বর্তমান আয়ের পাল্লা ভারি করবার জন্য বাড়তি কোন ইনকামের সুযোগের খোঁজ-এ থাকেন, তবে আজকের প্রতিবেদনটি আপনার জন্য! এই প্রতিবেদনটি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আপনার চাকরির খোঁজার ব্যাপারে কিছুটা হলেও সাহায্য করতে পারবে।

বাংলাদেশের মত একটি উন্নয়নশীল দেশে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীন, আর এটা এদেশের জন্য কোন নতুন সমস্যা নয়। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মত উন্নত দেশগুলোতেও চাকরির লভ্যতার অভাব রয়েছে। পার্থক্য যে যায়গাটায় তা হলো উন্নত দেশগুলোর প্রেক্ষাপটে অভাবটা আকর্ষণীয় চাকরির। এর মানে হলো উন্নত দেশে চাকরি সুলভ, কিন্তু কেউ যখন চাকরির খোঁজ শুরু করেন তখন বুঝতে পারেন যে তাদের পছন্দমত পারিশ্রমিকে উপযুক্ত চাকরির অভাব রয়েছে। আর বাংলাদেশে এক কথায় কোন চাকরিই নেই বলা চলে!

যাই হোক, আশা হারাবেন না! এটা সত্যি যে দেশের বেশিরভাগ মানুষের জন্য সারা দেশে তো বটেই, রাজধানী ঢাকায় পর্যন্ত উপযুক্ত চাকরির অভাব রয়েছে। এই সমস্যার এক উপযুক্ত সমাধান হলো পার্ট-টাইম চাকরি। আপনি যদি একজন শিক্ষার্থী হন যার নিজের হাতখরচের জন্য কিছু করা দরকার, কিংবা আপনার আর্থিক অবস্থার উন্নতির জন্য বর্তমান বেতনের পাশাপাশি বাড়তি কিছু ইনকামের প্রয়োজন, অথবা শুধুমাত্র অভিজ্ঞতার জন্য কাজ করতে চান, বা কর্মকালের ব্যাপারে নমনীয়তার প্রয়োজন বোধ করছেন, যেকোনো ক্ষেত্রেই পার্ট-টাইম চাকরি আপনার জন্য উপকারি। পার্ট-টাইম চাকরিতে হয়ত ফুল-টাইম চাকরির মত বড় অঙ্কের বেতন নেই, কিন্তু এটি অবশ্যই আপনাকে কিছুটা বাড়তি সহযোগিতা করতে পারে। 

পার্ট-টাইম আর ফুল-টাইম চাকরির ধরন আর জীবনযাত্রার উপর এদের প্রভাব সম্পূর্ণ ভিন্ন। একটি ফুল-টাইম চাকরির পাশাপাশি পড়াশোনা, পারিবারিক জীবন সামলাতে বেশ হিমশিম খাওয়ার মত অবস্থা তৈরি হয়। অপরপক্ষে পার্ট-টাইম চাকরি আপনাকে আপনার মূল্যবান সময়ের যথাযথ ব্যবহার করার সুযোগ দেয়। কিন্তু এই দুই ধরনের জীবনযাত্রা থেকে যেকোন একটি বেছে নেয়া এতটা সহজ নয়। তাই এই সিদ্ধান্তটা যত্নের সাথে নেয়া উচিত এবং একই সাথে নতুন কিছুকে সুযোগ দেয়ার প্রবণতা তৈরি করা উচিত। অতএব আমরা আপনাকে বলতে পারি পার্ট-টাইম চাকরি আপনার জন্য বেশ ভালো একটা অপশন হতে পারে, আর এটাও বলতে পারি যে এই ধরনের চাকরির এমন কিছু দিকের কথা যা আপনার নিশ্চয়ই ভালো লাগবে!

শিথিল ও আরো কর্মশক্তিতে পরিপূর্ণ

 

যেকোন চাকরি শিথিল ও আরামদায়ক হওয়াটা ঠিক আদর্শের মধ্যে পড়ে না, কেননা এতে আপনার কার্যক্ষমতার ক্ষতি হতে পারে। কিন্তু এই দিকটা আপনার চাকরিটি ভালোবেসে করার এক অন্যতম কারণ হতে পারে। শিথিল ও কম চাপের চাকরি পাওয়াটা খুবই বিরল একটা  ব্যাপার, অনেক ক্ষেত্রে অসম্ভব বলা চলে। একটি ফুল-টাইম চাকরিতে বেশিরভাগ সময় অনেক বেশি চাপ থাকে ও অনেকটাই শক্তিহানিকর হয়ে থাকে, হোক তা যেকোন ক্ষেত্রের চাকরি। যাই হোক, একটি পার্ট-টাইম চাকরি শুরু করলে আপনি অনেকটাই শিথিল অনুভব করবেন এবং দিনশেষে একটা বাড়তি কর্মশক্তি নিজের মধ্যে অনুভব করবেন। কর্মঘন্টা যত কম হবে, আপনার উপর দায়িত্বের বোঝা তত কম পড়বে, আর সবমিলিয়ে অল্প কাজের চাপ আপনার শক্তি সঞ্চয় করতে সাহায্য করবে এবং আপনি মানসিক ভাবে হাল্কা অনুভব করবেন।

আমাদের এই দৃষ্টিভঙ্গি হয়ত আপনার কাছে আপাতদৃষ্টিতে ভালো নাও পারে, কিন্তু বাংলাদেশের চাকরির বাজারের অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে এই ধরনের চাকরি আপনার ক্যারিয়ার গড়ে তোলার পিছনে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে। সবরকম ক্ষেত্রে উপযুক্ত চাকরির অভাব থাকায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাকরি খোঁজা, চাকরির সম্ভাবনাগুলো নিয়ে গবেষণা করা, বিভিন্ন পার্ট-টাইম চাকরি করার পর তবেই আমরা আমাদের জন্য সত্যিকার অর্থে উপযুক্ত চাকরি ও উপযুক্ত ক্যারিয়ার গঠন করার সুযোগ পাই। এইভাবে যেহেতু কাজের ভূমিকা ও দায়িত্ব কম চাপের হয়ে যায়, সেহেতু আমরা প্রকৃতপক্ষে বেশি ঘন্টা কাজ করার যোগ্যতা অর্জন করি।

আপনি যখন বিভিন্ন শ্রেনীভুক্ত অ্যাড, পত্র-পত্রিকা, ওয়াক-ইন ইন্টারভিউ, এমনকি অনলাইন চাকরি খোঁজার পোর্টাল এ আপনার জন্য পার্ট-টাইম চাকরির খোঁজ করবেন, তখন দেখতে পাবেন যে চাকরির তালিকাগুলো বেশ দারুন। এই চাকরিগুলোর জন্য কোন সর্বেসর্বা লোকের প্রয়োজন হয় না যাদের ওপর বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়া হয়। বরং এগুলোয় বিশেষ একটি পদে থেকে নির্দিষ্ট কিছু কাজ করার মত লোক চাওয়া হয়। তবে যেকোনো চাকরিতে আবেদন করার আগে ইন্টারভিউ এর জন্য নিজেকে ভালো মত প্রস্তুত করুন

কাজের বাইরেও করুন অনেক কিছু

চাপমুক্ত মনমানসিকতা ও বাড়তি শক্তির যোগান আপনাকে আপনার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারগুলোর জন্য সুযোগ করে দিবে, যেমন আপনার ভালবাসার কাজটি করা- হোক সেটা ব্লগিং বা ভ্লগিং, আপনার পরিবার তথা বাবা মা, স্ত্রী সন্তানদের জন্য সময় বের করা, এমনকি বাড়তি ইনকামের সুযোগ যেমন- ব্যবসা, অন্য চাকরি ইত্যাদি। হ্যাঁ, এটা আমি হলপ করে বলতে পারি, অনেকগুলো পার্ট-টাইম চাকরি করে অনেকগুলো ছোট ছোট ইনকাম একসাথে করা একটা ফুলটাইম চাকরি করে একটা বড় বেতন কামানোর চেয়ে বেশি আনন্দের।

ফলস্বরূপ, আপনি কাজের চেয়েও বেশি কিছু করতে পারবেন! একটি সাধারণ ফুল-টাইম চাকরিতে দিনশেষে ঘরে ফিরে অনেক বেশি ক্লান্তি লাগে এবং ঘরের বিভিন্ন কাজ, ঘুরতে যাওয়া, এমনকি পরিবার ও বন্ধুবান্ধবদের সময় দেয়ার মত আর শক্তি থাকে না শরীরে। এভাবেই আমরা আমাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ জিনিসগুলো আস্তে আস্তে হারিয়ে ফেলতে থাকি। কিন্তু আপনি যখন একটি ছোট, চাপমুক্ত পার্ট-টাইম চাকরির কাজ শেষ করে ঘরে ফিরে আসবেন, তখন জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোয় সময় দিতে পারবেন, তারপর আবার দ্বিতীয় পার্ট-টাইম চাকরির জন্য বের হয়ে যেতে পারবেন। আপাতদৃষ্টিতে যদিও আপনি একাধিক পার্ট-টাইম চাকরি তে বেশি কর্ম-ঘন্টা দিচ্ছেন, সেখানে আপনি অন্যান্য কাজ ও ব্যক্তিগত শখের জন্য অধিক সময় হাতে পাচ্ছেন।

নমনীয়তা অর্জন ও প্রাধান্য দেবার ক্ষমতা

শিক্ষাজীবনে চাকরি হিসেবে পার্ট-টাইম চাকরি সবচেয়ে উপযুক্ত একটি সিদ্ধান্ত। সারাদিন শুধু কাজের চাপে থাকলে একই সাথে ক্লাস, পড়াশোনা, কাজ, সামাজিকতা ও জীবনের লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করার জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া যায় না। শিক্ষার্থীদের চাকরিগুলোয় কাজে অনেক নমনীয়তা থাকে, যাতে করে ক্লাস, ছুটির দিন মিলিয়ে কাজ করা যায়, এমনকি মোটামুটি বেতনে একাধিক চাকরি করার সুযোগ পাওয়া যায়। সম্পূর্ণ ভিন্ন ভিন্ন কাজের পরিবেশে সবসময়ই একটা রোমাঞ্চ কাজ করে, একঘেয়েমির প্রশ্নই আসে না, যেমনটা সাধারণ ৯টা-৫টার চাকরিতে খুব সহজেই অনুভব হয়।

একজন পার্ট-টাইম কর্মী হিসেবে আপনি আপনার কাজগুলোর মধ্যে অগ্রাধিকার দেবার স্বাধীনতা পাবেন এবং আপনার পছন্দের কাজ বা সত্যিকার প্যাশনের দিকে মনোনিবেশ করতে পারবেন, সেটা লুকিয়ে রাখতে হবে না কিংবা চিনতে ভুল হবে না, আপনার প্যাশন যেমনই হোক না কেন। তবে এটাও স্বাভাবিক যে আপনাকে আপনার নিয়োগকারীকে বুঝিয়ে বলতে হবে যে আপনি তার অধীনে যা কিছুই করছেন তা আপনার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং আপনি সেই কাজটির ব্যাপারে কতটা আন্তরিক, সেটা সত্যি হোক বা না হোক। কিন্তু আপনার লক্ষ্য আর স্বপ্ন যদি আপনার চাকরির কাজের চেয়ে ভিন্নও হয়, বা আপনার প্যাশন ভিন্ন হয়, অথবা আপনি কোন ব্যবসা শুরু করতে চাচ্ছেন, অবশ্যই আপনার পার্ট-টাইম চাকরিদাতা সে ব্যাপারটা বুঝবেন ও মর্ম উপলব্ধি করতে পারবেন। যখন আপনি যেকোন অনলাইন বা অফলাইন চাকরির পোর্টালে কোন চাকরির খোঁজ করবেন, তখন অবশ্যই পার্ট-টাইম চাকরির নমনীয়তা ও সুবিধাগুলোর কথা মাথায় রেখে তবেই কোন ফুল-টাইম চাকরির প্রতি সমর্পণ করবেন, যদিও ফুল-টাইম চাকরি একটু বড় অংকের বেতনে আপনার সমস্ত সময় ও শক্তি কিনে নেবে।

সময় ও সামর্থ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকা

 

আমরা এই প্রতিবেদনে কোনভাবেই ফুল-টাইম চাকরিকে অবমাননা করতে চাচ্ছি না বা আপনাকে কোন চাকরি খোঁজার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করতে চাচ্ছি না, হোক সেটা পার্ট-টাইম কিংবা ফুল-টাইম। আমরা মনে করি পার্ট-টাইম চাকরি নেয়াটা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেশ উপযুক্ত একটা অপশন, এবং এটা শুধু শিক্ষার্থীদের জন্যই সীমাবদ্ধ নয়। পার্ট-টাইম চাকরির সুযোগ-সুবিধা শুধুমাত্র বেতন পাওয়ার চেয়ে আরো অনেক বেশি কার্যকরী, এটা আপনাকে এমন কিছু মূল্যবান শিক্ষা দিতে পারবে যা হয়ত আপাতদৃষ্টিতে সবার কাছে ততটা গুরুত্ব পায় না। একটা পার্ট-টাইম চাকরি করার সময় আপনি প্রতিনিয়ত নতুন সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে শিখবেন। যেসব নতুন জিনিসকে আপনি অন্যক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় মনে করতে পারেন, সেই জিনিসগুলো উদঘাটন করা ও শেখার জন্য আপনি আপনার সময়কে কাজে লাগাতে পারবেন। হয়ত একটা সময় এমনও মনে হতে পারে যে আপনার ফুল-টাইম চাকরির ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় মনে হওয়া দিকটাই প্রকৃতপক্ষে আপনার আসল প্যাশন।

পার্ট-টাইম চাকরির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাগুলোর মধ্যে একটি হলো সময়ের সদ্ব্যবহার। আমরা আগেই আলোচনা করেছি যে, আপনি যেমন আপনার প্রয়োজন ও প্রাধান্যের দিকগুলো বুঝতে পারবেন, তেমনই চাকরির কাজের বাইরে আরো বেশি কিছু করার স্বাধীনতা পাবেন। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ  শিক্ষা হলো বাজেট বা আপনার সামর্থ্যের উপর নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা। আপনি আপনার আয় এবং ব্যয়ের হিসেব রাখার ব্যাপারে আরো বেশি দক্ষ হয়ে উঠবেন। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের জন্য সময় ও সামর্থ্যের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখার এই ক্ষমতা ভবিষ্যতে পরিণত বয়সে বিশেষভাবে সাহায্য করে। বিবেচনা না করে বিপুল পরিমান টাকা আপনি চাইলেও অপ্রয়োজনীয় খাতে খরচ করতে পারবেন না বরং ভবিষ্যতের বড় কোন প্রয়োজনের জন্য টাকা জমিয়ে রাখতে শিখবেন। ছাত্রজীবনে আমরা টাকা কামানোর জন্য যত বেশি কষ্ট করি, সেটার মূল্য আমাদের কাছে তত বেশি হয়।

উপসংহার

তো আপনার কি মতামত? পার্ট-টাইম চাকরি আসলেই সবচেয়ে সেরা একটি অপশন, তাইনা? মজা করছি, আসলে এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র একটা অনুভূতির উপর ভিত্তি করে নেয়া সম্ভব নয়। মাঝেমাঝে পার্ট-টাইম ও ফুল-টাইম চাকরির মাঝে কত ঘন্টা কাজ করতে হচ্ছে সেটা ব্যতীত তেমন কোন পার্থক্য থাকে না। কিন্তু বেশিরভাগ সময় বেতনের পার্থক্য খুব একটা বেশি না হওয়া সত্ত্বেও একজন ফুল-টাইম কর্মীর ওপর যে পরিমান দায়িত্ব ও কাজের চাপ দেয়া হয় তা একজন পার্ট-টাইম কর্মীর তুলনায় অনেক বেশি। অতএব এই সিদ্ধান্তে আসার জন্য আপনাকে ঠাণ্ডা মাথায় পরিষ্কারভাবে চিন্তা করতে হবে এবং আপনার অবস্থা, লক্ষ্য ও প্রাধান্য অনুযায়ী কোন সিদ্ধান্তটি সবচেয়ে উপযোগী হবে সেটা সততার সাথে বিবেচনা করে দেখতে হবে।

এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষের জন্যই বাংলাদেশে চাকরি খুঁজে পছন্দমত চাকরি বা বেতন পাওয়ার কথা ভাবাটা বিলাসিতার মত। কিন্তু লেখালেখির প্রতি আন্তরিকতাসম্পন্ন একজন অবিবাহিত, কমবয়সী তরুণ হিসেবে, আমি প্রায় সবসময়ই একজন পার্ট-টাইম কর্মীর চিন্তামুক্ত, আরামদায়ক জীবনকেই বেছে নেবো। আমি দু’টো পার্ট-টাইম চাকরি একই সাথে করি, আর দু’টো মিলিয়ে একটি ফুল-টাইম চাকরির সমান বেতন উপার্জন করতে পারি এবং একই সাথে আমার পরিবার ও বন্ধুবান্ধবদের সময় দেয়ার স্বাধীনতাও রয়েছে। আমার কর্মস্থল দু’টো ভিন্ন হওয়ায় এবং দু’টোতেই কম চাপের কাজ ও ভিন্নরকম কর্মপরিবেশ হওয়ায় সবসময় একটা রোমাঞ্চকর অনুভূতি কাজ করে ও কাজের আগ্রহ বজায় থাকে। সবচেয়ে বড় কথা, আমি আমার লেখালেখির প্রতি প্যাশনটা বজায় রেখে কাজ করতে পারি।

সূত্রঃ bikroy.com

Leave a Comment